বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ধর্মঘট স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশন ও প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী রোববার ঢাকায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, ‘আমাদের ন্যায্য দাবি মানা না হলে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
কেন ধর্মঘটমৌলভীবাজারে হবিগঞ্জের বাস আটকে রাখা এবং পরিবহন শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ ও মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
ধর্মঘটের কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হবিগঞ্জের মহাসড়কগুলোতে বাস চলাচল বন্ধ থাকে। হবিগঞ্জ থেকেও কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। অনেককে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্প পরিবহনে চলাচল করতে দেখা যায়।
তিন বাস আটকে রাখার অভিযোগসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৪ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা বাধা দেন। পরে মৌলভীবাজারে হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখা এবং পরিবহন শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিজেদের দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ ও মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের আশ্বাসের পর বৃহস্পতিবার রাতে ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক