শুক্রবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের বিমানবন্দর টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে মোট ৫৯৫ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ২৪ দশমিক ২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০ লিটার ব্ল্যাক লেবেল ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
পাঁচ যাত্রীর ব্যাগেজে সিগারেট ও ক্রিমকাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন কর্মকর্তারা। এ সময় শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের ‘ইউএল১৮৯’ (কলম্বো-ঢাকা) ফ্লাইটে আসা পাঁচ যাত্রীর ব্যাগেজ স্ক্যানিং ও তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশিতে মোহাম্মদ রুবেলের ব্যাগ থেকে ১৬১ কার্টন সিগারেট ও ৬ দশমিক ৪ কেজি গৌরী ক্রিম, আবদুল্লাহ আল মোবারকের কাছ থেকে ১৪৯ কার্টন সিগারেট ও ৫ দশমিক ৮ কেজি গৌরী ক্রিম এবং খোরশেদ আলমের কাছ থেকে ১৮৮ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া মোসাম্মৎ রাবেয়া বেগমের ব্যাগ থেকে ৮৮ কার্টন সিগারেট ও ১২ কেজি গৌরী ক্রিম এবং মো. গোলাপের কাছ থেকে নয় কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
আরেক যাত্রীর ব্যাগে বিদেশি মদঅন্যদিকে, এয়ার ইন্ডিয়ার ‘এআই২১৮৩’ (মুম্বাই-ঢাকা) ফ্লাইটে আসা মোবারক হোসেন নামে এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ১০ লিটার ব্ল্যাক লেবেল ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, কাস্টমস আইন অনুযায়ী জব্দ করা পণ্যগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে বিমানবন্দরে এ ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক