আটক যাত্রী ইয়াং ডন সিউ (৪৩) মালয়েশিয়ার নাগরিক। রোববার কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় আসা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-০১৯৬ ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন তিনি।
শার্টের নিচে লুকানো ছিল স্বর্ণঢাকা কাস্টমস হাউস সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর ওই যাত্রীর ওপর নজরদারি করা হয়। যাত্রীরা ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল-১ অতিক্রমের সময় ইয়াং ডন সিউকে আলাদা করে তল্লাশি করা হয়।
গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশির একপর্যায়ে তার শরীরের সঙ্গে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে তার শরীর থেকে স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা স্বর্ণের মধ্যে এক কেজি ওজনের চারটি এবং ১০০ গ্রাম ওজনের পাঁচটি—মোট নয়টি বার রয়েছে। ২৪ ক্যারেট মানের এসব স্বর্ণ একটি কালো কাপড়ের বেল্টে মোড়ানো অবস্থায় শার্টের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
ঘোষণা বা বৈধ কাগজপত্র ছিল নাকাস্টমস সূত্র জানায়, ওই যাত্রী কোনো ব্যাগেজ ঘোষণা দেননি। একই সঙ্গে স্বর্ণের পক্ষে বৈধ কোনো নথি বা দলিলও দেখাতে পারেননি।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ‘কাস্টমস আইন, ২০২৩’ এবং ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ কন্ট্রোল অ্যাক্ট, ১৯৪৭’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় উদ্ধার করা স্বর্ণ সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছে।
আইনি কার্যক্রমের জন্য ‘কাস্টমস আইন, ২০২৩’-এর ১৯১ ধারায় স্বর্ণগুলো আটক করা হয়। এ ঘটনায় আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
অবৈধ স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক