চার শর্ত পূরণ হলেই প্রকল্প অনুমোদন: অর্থমন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৭ বিকাল
  • ১৭৭৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
অর্থের সঠিক ব্যবহার, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশ সুরক্ষা—এই চার শর্ত পূরণ না হলে ভবিষ্যতে কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি একই সঙ্গে এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর সম্মেলনকক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকল্পে নিশ্চিত করতে হবে চার বিষয়

সেমিনারে প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি শর্ত নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। শর্তগুলো হলো—অর্থের যথাযথ ব্যবহার বা ‘ভ্যালু ফর মানি’, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা।

মন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, এসব শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না। প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু অর্থ ব্যয়ের হিসাব নয়, এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ফলাফলও বিবেচনায় নিতে হবে।

সরকার, এনজিও ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় জরুরি

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। শুধু মানুষের কথা শোনা নয়, সেসব বিষয়ে কার্যকর সাড়াও দিতে চান তারা।

মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিওসহ সংশ্লিষ্টরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। এখন এই অংশীদারত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত কাঠামোর আওতায় আনা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের সেবা সরাসরি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই অর্থায়নের সুযোগ তৈরিতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপরও জোর দেন তিনি।

স্থানীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিতে হবে

শীতলপাটিসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক নকশা, মূল্য সংযোজন ও বিপণনব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) আয়োজিত সেমিনারে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্য।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad