সুন্দরবনঘেঁষা ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ রাত
  • ২৪৪৬ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় অনুমোদন ছাড়া গড়ে ওঠা ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব রিসোর্টের স্থাপনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, মামলা করাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর রশীদ সংশ্লিষ্ট রিসোর্ট মালিকদের লিখিতভাবে এ নির্দেশনা দেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, খুলনা জেলার সুন্দরবনসংলগ্ন ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকায় এসব রিসোর্ট অবস্থিত। এর মধ্যে আগে অনুমোদনহীনভাবে গড়ে ওঠা ১০টি রিসোর্টকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা নোটিশের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি অনুমোদনের জন্য আবেদন করেন। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে না পারায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন বাতিল করা হয়।

এরপর ওই ১০টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধ এবং ৩০ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, নতুন করে নির্মিত আরো আটটি রিসোর্টকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দেওয়া চিঠিতে সাত দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য স্থানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এসব রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধ এবং ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তালিকায় থাকা রিসোর্টগুলো হলো—অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, সুন্দরী, ইরাবতী, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ।

পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর রশীদ বলেন, ‘ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকার ১৮টি রিসোর্ট খুলনা জেলা কার্যালয়ের আওতাধীন। অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণের কারণে পরিবেশ আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নির্দেশনা না মানলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, নিয়মিত মামলা করাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।’

তবে মোংলা উপজেলার চিলা, বৈদ্যমারী ও চাঁদপাই এলাকার রিসোর্টগুলো বাগেরহাট জেলার আওতাধীন হওয়ায় সেসব রিসোর্টের বিষয়ে খুলনা জেলা কার্যালয়ের কাছে তথ্য নেই বলে জানান তিনি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad