মিডিয়ায় আসার আগে থেকেই নাটকের প্রতি আগ্রহ ছিল মৌ শিখার। তিনি যুক্ত ছিলেন নাট্যদল ‘নাগরিক নাট্যাঙ্গন অনসাম্বল’-এর সঙ্গে। মঞ্চে দলটির হয়ে ‘জনতার রঙ্গশালা’, ‘বিবিসাব’ ও ‘চাঁদ বণিকের পালা’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন। দলটির সঙ্গে মঞ্চনাটকের সফরে ভারত, বিশেষ করে কলকাতাতেও গেছেন তিনি।
ছোটপর্দায় নিয়মিতচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মৌ শিখার ছোটপর্দায় অভিষেক ‘গন্তব্যে অতঃপর’ নাটকের মাধ্যমে। এরপর শিহাব শাহীন, মাবরুর রশীদ বান্নাহ, সরদার রোকন ও ইমরাউল রাফাতসহ বেশ কয়েকজন নির্মাতার নির্দেশনায় কাজ করেছেন তিনি।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে মহিদুল মহিমের ‘গোলাপী কামিজ’ ও রুবেল হাসানের ‘রাজকুমার’। দুটি নাটকেই জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্বের সঙ্গে অভিনয় করেছেন মৌ শিখা।
চলচ্চিত্রেও সরবছোটপর্দার পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন মৌ শিখা। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। এরপর ‘ঢাকা অ্যাটাক’, ‘মিশন এক্সট্রিম’, ‘আমার স্বপ্ন আমার সংসার’সহ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেন। ওপার বাংলার ‘নিরীক্ষণ’ ও ‘চালবাজ’ সিনেমাতেও দেখা গেছে তাঁকে।
বর্তমানে তাঁর অভিনীত মিজানুর রহমান লাবু পরিচালিত ‘জমজ ভূতের গল্প’ এবং অলোক হাসান পরিচালিত ‘নাকফুল’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
অভিনয়েই থাকতে চান১০ জুন জন্মগ্রহণ করা মৌ শিখা ব্যক্তিজীবনে মো. আব্দুল আউয়াল ও সেলিনা সুলতানার সন্তান। তিনি তিন সন্তানের জননী। তাঁর দুই ছেলে শিপু ও শুভ এবং একমাত্র মেয়ে সামিয়া।
নিজের অভিনয়জীবন প্রসঙ্গে মৌ শিখা বলেন, অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা ও প্রবল আগ্রহ থেকেই তাঁর পথচলা। এই অঙ্গনে টিকে থাকা প্রতিদিনই চ্যালেঞ্জের। তাই তিনি সবসময় ভালো চরিত্রের অপেক্ষায় থাকেন। মনের মতো চরিত্র পেলে যেমন কাজ করেন, তেমনি পেশাগত প্রয়োজনে পাওয়া চরিত্রও মন দিয়ে করার চেষ্টা করেন। অভিনয় করতে করতেই জীবনের শেষ সময় কাটাতে চান বলেও জানান তিনি।
দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, তাঁদের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণাই তাঁকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
তথ্যসূত্র: মৌ শিখার বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স