১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন সংবিধানের খসড়া বিল আকারে উত্থাপন করেন। এরপর গণপরিষদে কয়েক দফা আলোচনা, বিতর্ক ও সংশোধনীর মধ্য দিয়ে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়। প্রায় ৭৩ ঘণ্টা আলোচনা শেষে ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধানটি গৃহীত হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। রাষ্ট্রের শাসনকাঠামো, সরকারের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এতে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।
মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও সাতটি তফসিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে।
সংবিধান গৃহীত হওয়ার দিন ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে সংবিধান কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক