তারেক রহমানের আগমন ঘিরে বাগেরহাট শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। প্রচার-প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ, আনন্দ মিছিল ও গণসংযোগের মাধ্যমে তাঁর আগমনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ২০০৬ সালে বাগেরহাটের খানজাহান আলী কলেজ মাঠে ছাত্রদলের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করতে ওই সময় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক সাংগঠনিক সফর করেছিলেন তিনি। বাগেরহাট সফরেও ছাত্রদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
এবার তাঁর আগমন ঘিরে জেলা ছাত্রদল, যুবদলসহ বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন পৃথক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ, আনন্দ মিছিল ও প্রচার-প্রচারণা চলছে। একইভাবে জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরাও আনন্দ মিছিল ও গণসংযোগের মাধ্যমে সফরকে স্বাগত জানাচ্ছেন।
অন্যদিকে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সাধারণ মানুষের কাছে সফরের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫ নভেম্বরের সফর ঘিরে বাগেরহাটের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা বলেন, ‘২১ বছর আগে আমরা খানজাহান আলী কলেজ মাঠে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন করেছিলাম। তখন তারেক রহমানের খুব কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর আবারও তিনি বাগেরহাটে আসছেন, বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।’
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান রাসেল বলেন, তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সফর সফল করতে তাঁরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জেলা বিএনপি ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, তারেক রহমানের আগমন ঘিরে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। তাঁরা আশা করছেন, তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক