সৌদির সঙ্গে সপ্তাহে ৮৪ যাত্রীবাহী ফ্লাইট, বাড়ছে কার্গো সুবিধা

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৯ দুপুর
  • ৩৬৫৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণে নতুন সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হয়েছে। এর আওতায় দুই দেশের মধ্যে সপ্তাহে যাত্রীবাহী ফ্লাইটের অনুমোদিত সংখ্যা ৪৯টি থেকে বাড়িয়ে ৮৪টি করা হয়েছে। পাশাপাশি সপ্তাহে ২১টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

নতুন সমঝোতার আওতায় অতিরিক্ত ৩৫টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে পঞ্চম স্বাধীনতা ট্রাফিক অধিকার, কোড-শেয়ারিং, কো-টার্মিনালাইজেশন এবং উড়োজাহাজ লিজিংয়ের সুবিধাও রাখা হয়েছে। এসব সুবিধা বাংলাদেশের ও সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল খাত এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনগুলো ব্যবহার করতে পারবে।

নতুন চুক্তির ফলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, দুই দেশের মধ্যে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানো, হজ ও ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াত সহজ করা এবং সৌদি আরবে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির যাতায়াতে সুবিধা দেওয়াই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে আসনসংকট কমানো এবং বিমানভাড়ায় প্রতিযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে যাত্রীসেবা উন্নত করারও সুযোগ তৈরি হবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, অতিরিক্ত ৩৫টি যাত্রীবাহী ফ্লাইটের সুযোগ তৈরি হওয়ায় হজ ও ওমরাহযাত্রী এবং সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিরা উপকৃত হবেন। ফ্লাইট ও আসনসংখ্যা বাড়লে টিকিট পাওয়া সহজ হওয়ার পাশাপাশি বিমানভাড়ায় প্রতিযোগিতাও বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, সপ্তাহে ২১টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ দেশের রপ্তানি খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে তৈরি পোশাক, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিপণ্য দ্রুত সৌদি আরব ও সংশ্লিষ্ট বাজারে পরিবহনের সুযোগ বাড়বে।

নতুন সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের যাত্রী ও কার্গো যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং এয়ারলাইনগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছে বেবিচক। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে আঞ্চলিক এভিয়েশন ও কার্গো হাব হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এ সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad