চাপের মুখে উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান–এমডিসহ চার পরিচালকের পদত্যাগ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৭ রাত
  • ৪২৩৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

চাপের মুখে উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও দুই স্বতন্ত্র পরিচালকসহ চারজন পদত্যাগ করেছেন। রোববার তারা বাংলাদেশ ব্যাংকে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান ও এনআরবিসি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মুখতার হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. নিয়ামুল কবির এবং স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম এফসিএস। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ালি উল্লাহও পদত্যাগ করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডি হিসেবে যোগ দেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, একটি পক্ষের অনৈতিক চাপের মুখে তাদের পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক ও উত্তরা গ্রুপের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) নিয়ে পাঁচ সদস্যের নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন মো. ওয়ালি উল্লাহ।

চার পরিচালকের পদত্যাগের পর উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদে বর্তমানে রয়েছেন মাত্র দুজন। তারা হলেন স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আজম এবং উত্তরা গ্রুপের সিএফও ও পরিচালক মাহবুব আলম এফসিএমএ।

এর আগে আমানতের অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ২০২২ সালে উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালককে অপসারণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ২০১৯ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। এর মধ্যে ছিল আমানতের অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না দিয়ে নিজেদের মতো ব্যবহার, কলমানির অর্থ নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যক্তিগত কাজে খাটানো, অগ্রিম ও প্রি-পেমেন্টের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ বের করে নেওয়া এবং ভুয়া এফডিআরের বিপরীতে ঋণ দেওয়ার মতো ঘটনা।

সব মিলিয়ে উত্তরা ফাইন্যান্সে অন্তত ৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য পেয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad