সলঙ্গায় চোর সন্দেহে যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের ভিডিও ভাইরাল

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪০ রাত
  • ১৮১২৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চোর সন্দেহে বাবু নামে এক যুবককে আটক করে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে ধোপাকান্দি ন্যাশনাল ফুডসিটি হোটেলের মালিক আলহাজ ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ন্যাশনাল ফুডসিটি হোটেলের মালিক আলহাজ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে ধোপাকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদ ড্রাইভারের ছেলে সাইদুলসহ আরও একজন বৃষ্টির মধ্যে এক যুবককে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধছেন। এরপর একই গ্রামের আলতাফের ছেলে রিপন বৃষ্টিতে ভিজে ও খালি গায়ে হাতে লাঠি নিয়ে গাছের সঙ্গে হাত-পা বাঁধা ওই যুবককে পেটাচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে যুবককে বিভিন্ন প্রশ্ন করতেও দেখা যায় ধোপাকান্দি ন্যাশনাল ফুডসিটি হোটেলের মালিক আলহাজ ফরিদুল ইসলামকে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে এরশাদের ওয়ার্কশপের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চোর সন্দেহে আটক ওই যুবক সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের নলকা সেনগাতী গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে বাবু (৩০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাবু নামের ওই যুবককে চোর সন্দেহে ধোপাকান্দি ন্যাশনাল ফুডসিটি হোটেলের সামনে আটক করেন হাজি ফরিদুল। পরে তাকে এরশাদের ওয়ার্কশপের সামনে নিয়ে একটি গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেল মালিক ধোপাকান্দি গ্রামের আদুস সাত্তারের ছেলে আলহাজ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে সন্দেহভাজন চোর বাবুকে আটক করা হয়। পরে ধোপাকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে সাইদুল তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন এবং একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রিপন লাঠি দিয়ে মারধর করেন।

ঘটনার পুরো ভিডিও ধারণ করেন আলহাজ ফরিদুল ইসলাম।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাবু সত্যিই চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় হোটেল মালিক আলহাজ ফরিদুল ইসলামকে মুঠোফোনে বারবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন না ধরায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার নির্দেশদাতা আলহাজ ফরিদুল ইসলামসহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেন না। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad