নিহত শামীম হোসেন বগুড়া সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের চৌমহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তাঁর মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম শাফি এবং তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা নাজমুল হোসেন কাইয়ুমসহ কয়েকজন সরাসরি জড়িত।
নিহতের শাশুড়ি ছোবেদা বেগম বলেন, এক নিকটাত্মীয়ের দাফনে অংশ নিতে শামীম বারপুর এলাকায় গিয়েছিলেন। রাতে সেখানে হাঁটাহাঁটির সময় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এ বি এম শাফি, তাঁর ছেলে নাজমুল হোসেন কাইয়ুমসহ কয়েকজন তাঁকে আটক করেন।
পরে শামীমকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর পায়ের রগ কেটে গুরুতর আহত অবস্থায় একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন ছোবেদা বেগম।
খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শামীমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
ঘটনার খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যাদের নাম এসেছে, তাদের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স