ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৭ বিকাল
  • ১১৬৬৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে নির্দিষ্ট কোনো দেশের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে সামগ্রিকভাবে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ, হালকা প্রকৌশল ও সেমিকন্ডাক্টরসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য ঘাটতিকে শুধু একটি নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত করে দেখার সুযোগ নেই। বিশ্বের অনেক দেশের ক্ষেত্রেই আমদানির তুলনায় রপ্তানি কম। বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বড় ঘাটতির দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও চীন অন্যতম। তাই সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সার্বিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আগের অর্থবছরের তুলনায় দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আরও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ ভারতে মাত্র ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। বিপরীতে ভারতের রপ্তানির পরিমাণ এর তুলনায় অনেক বেশি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ভারতের রপ্তানি সক্ষমতা বেশ কয়েকটি খাতে শক্তিশালী। তবে দুই দেশের বাণিজ্যে ভারতের দিক থেকে কিছু বাধা রয়েছে। পাশাপাশি গত দুই বছরে বাংলাদেশের দিক থেকেও কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার সরাসরি কোনো দেশ থেকে আমদানি করে না। মূলত বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরাই আমদানি করেন। যে দেশ থেকে কম দামে বা তুলনামূলক সুবিধাজনক শর্তে পণ্য পাওয়া যায়, ব্যবসায়ীরা সেখান থেকেই আমদানি করেন।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ভারতের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করেছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাবও এসেছে। এতে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনে ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad