মানবাধিকার কাউন্সিলের এক বৈঠকে তুর্ক বলেন, দুই দেশের হামলা পুনরায় শুরু হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে বেসামরিক মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনায় তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
সম্প্রতি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের কুহেস্তাক এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় অন্তত চারজন নিহত ও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। ইরানি কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সূত্র হামলাটি যুক্তরাষ্ট্র চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণেও ঘটনাস্থলের তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে।
তুর্ক বলেন, এ সংকট পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব ছিল। সংঘাতের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা যেমন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক