২০২৫-২৬ মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার বাইরে থাকা ইউনাইটেড এবার ২৬তমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলছে। ১৯৬৮, ১৯৯৯ ও ২০০৮ সালে ইউরোপিয়ান কাপ জেতা ক্লাবটি সাম্প্রতিক সময়ে অবশ্য হারিয়েছে নিজেদের পুরোনো শক্তি।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ সাত ম্যাচে ইউনাইটেডের জয় মাত্র একটি, বিপরীতে হার চারটি। চলতি প্রিমিয়ার লিগেও তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে মাইকেল ক্যারিকের দল রয়েছে ১১তম স্থানে। সবশেষ ম্যাচে এভারটনের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে তারা।
তবে প্রতিপক্ষ সাবাহও আত্মবিশ্বাসী। আটটি বাছাই ম্যাচ খেলে ছয়টিতেই জয় পেয়েছে আজারবাইজানের ক্লাবটি। এর মধ্যে চার ম্যাচে কোনো গোলও হজম করেনি তারা। ঘরোয়া লিগে তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা সাবাহ তাই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে চমক দেখানোর লক্ষ্যেই নামবে।
বায়ার্নের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জইউনাইটেডের মতো বায়ার্ন মিউনিখেরও লক্ষ্য জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিযান শুরু করা। ভিনসেন্ট কোম্পানির দল গত মৌসুমে উঠেছিল সেমিফাইনালে। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে টানা ২২ আসরে জয়ের রেকর্ডও আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে জার্মান জায়ান্টদের।
তবে লিগের সবশেষ ম্যাচে শালকের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে বায়ার্ন। তার ওপর বোদো/গ্লিমটকে সহজ প্রতিপক্ষ ভাবার সুযোগ নেই।
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেকেই শেষ ষোলোয় উঠেছিল নরওয়ের ক্লাবটি। নকআউট প্লে-অফে তারা হারিয়েছিল ইন্টার মিলানকে। এবারও বাছাই পর্ব পেরিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে দলটি।
টানা সাত জয়ের পাশাপাশি ২০ ম্যাচ ধরে অপরাজিত বোদো/গ্লিমট তাই বায়ার্নের মাঠে বড় চমক দেখানোর স্বপ্ন দেখতেই পারে।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স