বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত এক সচেতনতামূলক বার্তায় তাসকিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতির সঙ্গে জ্বালানি ব্যবহারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই সবাইকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি হচ্ছে একটি লং টুর্নামেন্ট, অযথা জ্বালানি পুড়িয়ে আজকেই সব শেষ করে দেব না।’
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দিনের আলোকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম আলোর ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘দিনের আলোয় যদি ঘর ভরে থাকে, তবে কৃত্রিম আলোর প্রয়োজন কী?’
শান্ত আরও বলেন, এক ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব। তার ভাষায়, ‘জেনে রাখি, ১ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে প্রায় ৪ ইউনিট জ্বালানি সাশ্রয় হয়।’
মেহেদী হাসান মিরাজের বক্তব্যে উঠে এসেছে শক্তি সঞ্চয়ের গুরুত্ব। চ্যাম্পিয়নদের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘চ্যাম্পিয়নরা জানে কীভাবে শক্তি জমিয়ে রাখতে হয়।’
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজেদেরও ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তাসকিন। তিনি বলেন, ‘এবার আমাদের পালা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পথে চলা। নবায়নযোগ্য শক্তিতে আস্থা রাখি।’
টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কোনো বিকল্প নেই বলেও বার্তা দিয়েছেন শান্ত ও মিরাজ। তাদের যৌথ বক্তব্য, ‘টেকসই উন্নয়ন যদি চাই, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিকল্প নেই।’
সচেতনতামূলক বার্তার শেষে তাসকিন, মিরাজ ও শান্ত সম্মিলিতভাবে বলেন, ‘নবায়নযোগ্য শক্তি জ্বালানি সংকট থেকে মুক্তি।’

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স