রোববার বিকেলে ঢাকার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে টিকাস্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী যেসব শিশু চলমান হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে টিকা পায়নি বা বাদ পড়েছে, তাদের শনাক্ত করে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি কর্মসূচি চলাকালে ৬ মাস বয়সে পৌঁছানো এবং টিকা নেওয়ার উপযুক্ত নতুন শিশুদেরও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে হাম আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি ও অন্যান্য জটিলতার কারণে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। টিকা নেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে।
ডেঙ্গু-হাম মোকাবিলায় প্রস্তুতিডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় রোগের চিকিৎসায় সরকারের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। দেশে স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুর অধিকাংশ চিকিৎসা উপজেলা পর্যায়েই দেওয়া সম্ভব। তবে অনেক রোগী সরাসরি টারশিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসায় এসব হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
দেশে মজুদ ৫৮ লাখ ডোজ এমআর টিকাবিশেষ টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ লাখ ডোজ এমআর টিকা দেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)