নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি ও জাতীয় প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মশাল মিছিলটি ডাইংপাড়া স্বাধীন চত্বর থেকে শুরু হয়। মিছিলটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি ও বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সমাজ ও মানবকল্যাণ সংস্থার মহাসচিব নুরে আলম ওয়াহিদ, প্রতিবন্ধী অধিকার উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি নজরুল ইসলাম, সুমন আলীসহ অন্যরা।
‘প্রিপেইড মিটারে বাড়ছে গ্রাহকের ব্যয়’অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, প্রিপেইড মিটারে রিচার্জের সময় বিভিন্ন ধরনের চার্জ ও অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ গ্রাহকদের আর্থিক চাপ বাড়ছে। পাশাপাশি কারিগরি জটিলতা ও আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন নিয়মের কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তিও বেড়েছে।
তিনি বলেন, প্রিপেইড মিটার বাতিল করে আগের মতো সহজ ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং গ্রাহক হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির নামে চালু করা ডিজিটাল প্রিপেইড মিটারের কারণে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। নানা কারিগরি জটিলতায় অনেক গ্রাহক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ছয় দফা দাবিসমাবেশ থেকে প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎ খাত বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ, বিদ্যুৎ সংকটের জনবান্ধব সমাধান, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নামে করা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স