হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের জনবল সংকট নিয়ে অনুষ্ঠিত কয়েকটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থাপিত ও নথিভুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ চিত্র পাওয়া গেছে। বেন-গভির ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পুলিশের জনবল পরিস্থিতি নিয়ে এসব তথ্য সামনে এসেছে।
নিয়োগ বাড়লেও কাটেনি ঘাটতিবেন-গভিরের দায়িত্বকালে পুলিশের নতুন সদস্য নিয়োগের সংখ্যা বেড়েছে। তবে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের এক-চতুর্থাংশের বেশি বর্ডার পুলিশ অথবা জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল গার্ডে দায়িত্ব পেয়েছেন। ফলে মূল পুলিশ স্টেশন ও ট্রাফিক বিভাগে জনবল সংকট অব্যাহত রয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সামগ্রিক নিয়োগ বাড়ানোর পরও ইসরাইলের বিভিন্ন পুলিশ স্টেশন ও ট্রাফিক বিভাগে প্রায় ২ হাজার সদস্যের ঘাটতি রয়েছে।
ন্যাশনাল গার্ড নিয়েও বিতর্ক২০২৩ সালের এপ্রিলে ইসরাইল সরকার জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাশনাল গার্ড গঠনের অনুমোদন দেয়। বাহিনীটি বেন-গভিরের অধীনে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা রয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে বেন-গভিরের নিয়ন্ত্রণে একটি পৃথক বাহিনী গঠনে সম্মতি দিয়েছিলেন।
এদিকে হারেৎজের প্রতিবেদনে পুলিশের নিয়োগসংক্রান্ত পরিসংখ্যান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে স্থায়ী নিয়োগের পাশাপাশি অস্থায়ী সদস্য ও খণ্ডকালীন শিক্ষার্থীদের হিসাবেও নিয়োগের সংখ্যা দেখানো হয়েছে। তবে এসব তথ্য হারেৎজের প্রতিবেদনের উপস্থাপিত দাবি; এর স্বাধীন সরকারি যাচাই এই প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
পুলিশে বড়সংখ্যক সদস্যের চাকরি ছাড়ার তথ্য এবং প্রায় ২ হাজার সদস্যের ঘাটতির বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন ইসরাইলের আইনশৃঙ্খলা কাঠামো, বর্ডার পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল গার্ডের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: হারেৎজ, আনাদোলু এজেন্সি ও মিডল ইস্ট মনিটর

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক