রোববার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল-বেরুনী মীরের আদালতে তাকে হাজির করা হয়।
এর আগে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম আখতারুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে যা বলা হয়তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরে ঘটনার পেছনে আখতারুজ্জামানের কোনো ‘কুচক্রী মহলের’ ইন্ধন ছিল কি না এবং ঘটনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
বিমানবন্দরে কী ঘটেছিলমামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটে বিপুলসংখ্যক যাত্রী ঢাকায় আসেন। যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় লাগেজ পেতে বিলম্ব হয়। একই সময়ে বিমানবন্দরে ট্রলির সংকট দেখা দিলে কয়েকজন যাত্রীর মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ সেখানে গেলে আখতারুজ্জামান তার সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন এবং তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া ও মারধরের হুমকি দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ শুরু করলে নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন এতে বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আখতারুজ্জামান ওই নিরাপত্তাকর্মীকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আখতারুজ্জামানের পক্ষ থেকে আদালতে কী বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক