শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন বৃহস্পতিবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভোরে কুয়াশার চাদরে ঢাকছে জনপদ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের আলো ফোটার আগে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। মধ্যরাতের পর ঘাসে জমছে শিশির। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ বাড়লে কুয়াশা কমে আসে। তবে কোনো কোনো দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত কুয়াশার উপস্থিতি থাকছে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থিত পঞ্চগড়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় আগেভাগে শীতের অনুভূতি দেখা দেয়। শীতের স্থায়িত্বও এ অঞ্চলে তুলনামূলক বেশি।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাঝগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা করিম উদ্দীন জানান, ফজরের নামাজ পড়াতে ভোরে মসজিদে যাওয়ার সময় ঘন কুয়াশা দেখা যায়। তবে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় কুয়াশা কমতে শুরু করে।
মৌসুমি বায়ুর নিষ্ক্রিয়তায় কুয়াশা
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ রায় জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি জানান, বর্তমানে শরৎকাল চলছে। শীতকাল আসতে আরও প্রায় এক মাস বাকি। হেমন্তের শেষ দিকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করলে শীতের অনুভূতি বাড়বে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ুর নিষ্ক্রিয়তা ও বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। কয়েক দিন আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে পঞ্চগড়ে বৃষ্টিপাত হয়। এতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে আসে। বৃষ্টি কমার পর দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের দিকে ফিরলেও ভোররাতে গ্রামাঞ্চলে শীতের অনুভূতি থাকছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক