জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে—এমন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
২০ দিনে আটক ২ হাজার ৬৪৫ জন
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ দিনে সাত দফায় পরিচালিত অভিযানে মোট ২ হাজার ৬৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে—এমন ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যাচাই-বাছাই করে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, অভিযানের সময় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ নির্মূলে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক