সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সোমবার যুগান্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
ঢাকায় থাকার কথা থাকলেও ক্যাম্পাসে উপাচার্য
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১১ ও ১২ অক্টোবর ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল নতুন উপাচার্যের। এ জন্য ১০ অক্টোবর বিকেলে তাঁর ঢাকায় যাওয়ার কথা জানানো হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে ১১ ও ১২ অক্টোবরের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
পূর্বঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী উপাচার্যের ঢাকায় অবস্থানের কথা জানা গেলেও সোমবার সকালে তিনি হঠাৎ চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। পরে তাঁর সঙ্গে যাওয়া শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
নিয়োগের প্রতিবাদে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অচলাবস্থা
গত ২১ সেপ্টেম্বর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাঁকে সরিয়ে একই দিন অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। একই সঙ্গে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি অংশ।
শিক্ষার্থীদের শাটডাউন এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মসূচির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন উপাচার্যের প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট আবারও আলোচনায় এসেছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক