ডাকসুর উদ্যোগে চুরি হওয়া ফোন ফিরে পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ দুপুর
  • ৯০৩৬ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষার্থীর চুরি হওয়া স্মার্টফোন উদ্ধার করে তাদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ডাকসু সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে উদ্ধার হওয়া ফোন তুলে দেন ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।

সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় উদ্ধার

ডাকসু সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত স্মার্টফোন দীর্ঘদিন আগে চুরি হয়। পরে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদকে জানান। এরপর তিনি ১৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও রাঙামাটির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমন্বিতভাবে ফোন উদ্ধারের উদ্যোগ নেন।

পুলিশের অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমের মাধ্যমে ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে প্রকৃত মালিকানা যাচাই শেষে সেগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‘শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণই ডাকসুর কাজ’

ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক সংকট নিরসনে ডাকসু কাজ করছে।

ডাকসুর কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রত্যাশা পূরণ করাই ডাকসুর দায়িত্ব। ফোন ফিরে পেয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দই তাদের কাজের সার্থকতা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, অনেক শিক্ষার্থী টিউশনির টাকা জমিয়ে স্মার্টফোন কেনেন। কিন্তু চুরি বা ছিনতাইয়ের শিকার হলে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ ধরনের সমস্যা সমাধানে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সরাসরি সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

ফোনগুলো দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে সহায়তার জন্য ১৮ এপিবিএন রাঙামাটির অধিনায়ক রেজাউল করিমসহ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

রিজওয়ান মানসুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আহমেদ শাকিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad