রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তদের একজন রিকশার সামনের কাচ ভেঙে ফেলে এবং চালককে মারধর করে আহত করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহঘটনার পর রিকশাচালক বিষয়টি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও পৌর শাখার সেক্রেটারি হাফেজ হাবিবুর রহমানকে জানান। তিনি চালককে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে রিকশাটি মেরামত এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
ঘটনার তদন্তে সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় ভুক্তভোগী রিকশাচালকের বক্তব্য নেওয়া হয় এবং আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন এবং ঠাকুরগাঁও পৌর শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ আনোয়ার হোসেনসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
দলটির নেতারা আরও বলেন, চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক