শনিবার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। কলেজটি উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের নোয়াগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে মানবিক বিভাগে সাতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। ২০২৫ সালে ছয়জন এবং ২০২৪ সালে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। ওই দুই বছরেও কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি।
অর্থাৎ, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখা থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও পাস করতে পারেনি।
এ বিষয়ে আবুল কাসেম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক বিউটি বেগম বলেন, প্রতিষ্ঠানটির স্কুল ও কলেজ শাখার পৃথক কোড নম্বর ও ইআইআইএন রয়েছে। তিনি স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক। কলেজ শাখার বিষয়ে প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেম স্যার ভালো বলতে পারবেন।
কলেজ শাখার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোটরসাইকেলে রয়েছেন জানিয়ে ফলাফলের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এদিকে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক