সরকারের কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় এ সুবিধা চালু করা হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসের পাশাপাশি কার্ডধারীরা কৃষি উপকরণ সহায়তা, স্বল্প সুদে ঋণ, সেচ সুবিধা ও কৃষিবিমাসহ মোট ১০ ধরনের সেবা পাবেন। আগামী চার বছরে দেশের প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন অনেকাংশে আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অতিবৃষ্টি, খরা, তাপমাত্রার পরিবর্তন ও ঝড়ের কারণে প্রায়ই ফসলের ক্ষতি হয়। সময়মতো আবহাওয়ার পূর্বাভাস পেলে কৃষকরা চাষাবাদ, সেচ, সার প্রয়োগ, বালাইনাশক ব্যবহার ও ফসল সংগ্রহের বিষয়ে আগাম পরিকল্পনা করতে পারবেন।
উদাহরণ হিসেবে, ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির পূর্বাভাস পেলে কৃষক দ্রুত ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিতে পারবেন। আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে সেচের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পানি ও উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। ঝড় বা প্রতিকূল আবহাওয়ার সতর্কবার্তা ফসল ও কৃষি উপকরণ সুরক্ষায়ও সহায়তা করবে।
স্বয়ংক্রিয় এসএমএস পাঠাবে কৃষি তথ্য সার্ভিসকৃষক কার্ডধারীদের মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাঠানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)। কৃষিবিষয়ক তথ্য, পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ংক্রিয় এসএমএসের মাধ্যমে এ সেবা দেবে।
এ ব্যবস্থায় কৃষকদের আলাদাভাবে প্রতিবার আবহাওয়ার তথ্য খুঁজতে হবে না। নির্ধারিত ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁদের মোবাইল ফোনে আগাম বার্তা পৌঁছে যাবে।
চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়ার লক্ষ্যপ্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে তাঁদের কাছে সরকারি সহায়তা ও কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়াই কৃষক কার্ড কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। এ জন্য কৃষকদের ব্যক্তিগত ও কৃষিসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, যাচাই, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং পর্যায়ক্রমে কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চলছে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার ৫০৩টি উপজেলার ১ হাজার ৬৮১টি কৃষি ব্লকে তথ্য সংগ্রহের কাজ এগিয়েছে। এসব ব্লকে এ পর্যন্ত ২২ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত ৯ লাখ ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর দেশের ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলায় একযোগে কর্মসূচির কার

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক