সহকারী স্টেশন মাস্টার পদে ৪২৯ জনের নিয়োগ, মানতে হবে ১৯ শর্ত

  • প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ দুপুর
  • ৪৪১৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
২৩ নভেম্বরের মধ্যে যোগদান; স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুলিশি যাচাই ও দুই বছরের শিক্ষানবিশকাল বাধ্যতামূলক

বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী স্টেশন মাস্টার পদে ৪২৯ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ১৫তম গ্রেডে নিয়োগ পাওয়া এসব প্রার্থীকে চাকরিতে যোগদান ও পরবর্তী সময়ে নিয়োগাদেশে উল্লেখিত ১৯টি শর্ত পূরণ করতে হবে। আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে তাঁদের যোগদান করতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয়ের পার্সোনেল-৩ শাখা থেকে এ নিয়োগাদেশ জারি করা হয়। উপপরিচালক (পার্সোনেল-৩) রাশেদ লতিফ স্বাক্ষরিত আদেশে ৪২৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পদে বেতনক্রম ২২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা।

নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব), চট্টগ্রাম এবং মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম), রাজশাহীর অধীনে পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর অফিস চলাকালীন সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে তাঁদের যোগদান করতে হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশি যাচাই

নিয়োগাদেশ অনুযায়ী, যোগদানের সময় প্রার্থীদের বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত বিভাগীয় চিকিৎসা কর্মকর্তা অথবা সিভিল সার্জনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যগত সনদ জমা দিতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অনুপযুক্ত বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই নিয়োগ বাতিল করা যাবে।

পুলিশি যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ সাময়িক হিসেবে বিবেচিত হবে। যাচাইয়ে কোনো প্রার্থী অনুপযুক্ত প্রমাণিত হলে তাঁর নিয়োগ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া পদায়নের আগে শিক্ষাগত সনদ ও অন্যান্য কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করবে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে কোনো সনদ বা কাগজপত্র জাল কিংবা ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই বছর শিক্ষানবিশকাল

নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। এ সময়ে কোনো প্রার্থীকে চাকরিতে বহাল রাখার অনুপযোগী মনে হলে কর্তৃপক্ষ কারণ দর্শানো ছাড়াই তাঁকে চাকরিচ্যুত করতে পারবে অথবা শিক্ষানবিশকাল বাড়াতে পারবে। নির্ধারিত বিভাগীয় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষানবিশকে স্থায়ী করা হবে না।

নিয়োগাদেশে আরও বলা হয়েছে, এ নিয়োগের ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরির দাবি করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ ১৫ দিনের নোটিশে কোনো কারণ ছাড়াই প্রার্থীকে বরখাস্ত বা অপসারণ করতে পারবে। অন্যদিকে, কোনো প্রার্থী স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়তে চাইলে কমপক্ষে ৩০ দিন আগে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বশেষ এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

বন্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

কোনো প্রার্থী বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে থাকলে অথবা বিয়ের অঙ্গীকার করে থাকলে তাঁর নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। এ বিষয়ে চাকরিতে যোগদানের আগে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ড জমা দিতে হবে।

যোগদানের সময় পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্রের ফটোকপি, আবেদনপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি রঙিন ছবি দিতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা সম্পর্কে ভবিষ্যতে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে নিয়োগ বাতিল হতে পারে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান করতে ব্যর্থ হলে নিয়োগাদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে। যোগদানের জন্য কোনো প্রার্থীকে যাতায়াত বা দৈনিক ভাতা (টিএ/ডিএ) দেওয়া হবে না। নিয়োগপ্রাপ্তরা বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে নিয়োগাদেশ ডাউনলোড করে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করতে পারবেন। নিয়োগের অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত আইন, আদেশ ও বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয়ের পার্সোনেল-৩ শাখার নিয়োগাদেশ ৩ নভেম্বর ২০২৬।






কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad