আ.লীগ আমলের ‘চুরি-পাচারের বোঝা’ এখনও টানছে দেশ, বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে চাপের অভিযোগ সরকারের

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:০২ দুপুর
  • ৫৭১৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংঘটিত দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণেই দেশের জনগণ এখনও এর নেতিবাচক প্রভাব বহন করছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া আর্থিক ও কাঠামোগত সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব সাধারণ মানুষকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

শনিবার (৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত থেকে আগের সরকারের সময়ে ব্যাপক চুরি ও অর্থ পাচার হয়েছে। এর ফলে সৃষ্ট আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এই খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। তবে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিজনিত চাপ থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও সরকারের বিশেষ উদ্যোগে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অকটেন ও পেট্রোলের দাম সমন্বয় করা হলেও সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্বিতীয় দফায় ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি থেকে বিরত থেকেছে সরকার।

বিদ্যুৎ খাতের অতীত নীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে উৎপাদনমুখী না করে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল। এর ফলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকারের দাবি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad