সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এক নারীকে কৌশলে একটি বসতঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য অভিযুক্তদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল (সাহেববাজার) এলাকার বাসিন্দা এক নারী।
অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশার চালক তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন মিলে তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর বুধবার সকালে ভুক্তভোগী নারী বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে গয়াছ মিয়া গেদা (৪৪)-কে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—হায়াতেরগাঁও গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সাইদুর রহমান (৩০), আলমনগর গ্রামের আশিক মিয়া (৩০) এবং বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ভুক্তভোগী নারীকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

মোঃ আল আমিন হোসেন,বার্তা সম্পাদক