তারেক রহমানকে কটূক্তির অভিযোগ, ছেলের বদলে বাবাকে শাসালেন যুবদল নেতা

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৫ দুপুর
  • ৫০২৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

নরসিংদীর রায়পুরায় বিএনপি ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে এক ইতালিপ্রবাসীর ফেসবুক পোস্টে অশালীন মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর বাবাকে শাসানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ ওঠা ওই প্রবাসীর নাম মো. মনির হোসেন। তিনি রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ মির্জানগর মধ্যপাড়া এলাকার হারাধন মোল্লার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইতালিতে বসবাস করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ইতালি থেকে মনির হোসেন ফেসবুকে বিএনপি ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করেন। পরে তাঁর ওই মন্তব্যের ভিডিও বা পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার জেরে আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদল নেতা পাকির ইসলাম মনির হোসেনের বাড়িতে যান। সেখানে তাঁর বাবা হারাধন মোল্লার সঙ্গে কথা বলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, পাকির ইসলাম হারাধন মোল্লার সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাঁর ছেলেকে ফেসবুকে করা কথিত অশালীন মন্তব্য মুছে ফেলতে বলেন। অন্যথায় ছেলের পরিবর্তে বাবাকে শাসন বা বিচারের মুখোমুখি করা হবে—এমন বক্তব্যও তাঁকে দিতে শোনা যায়।

গত ১৪ আগস্ট থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ও অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরিবারের কোনো সদস্যের কথিত কর্মকাণ্ডের দায়ে তাঁর বাবাকে এভাবে শাসানো কতটা যৌক্তিক—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে।

এরই মধ্যে ঘটনার পর যুবদল নেতা পাকির ইসলাম শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি মনির হোসেনের বাবা হারাধন মোল্লার কাছে গিয়ে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। পরে তাঁর ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওটিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে মনির হোসেনের কথিত ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা ও এর পূর্ণ প্রেক্ষাপটও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad