সম্প্রতি প্রকাশিত সিনেমাটির ট্রেলারে গল্পের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকের আভাস মিলেছে। এতে মার্ক জাকারবার্গের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেরেমি স্ট্রং। অন্যদিকে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর সাংবাদিক জেফ হরউইৎজের চরিত্রে দেখা গেছে জেরেমি অ্যালেন হোয়াইটকে।
সিনেমার গল্পে ফেসবুক ও আধুনিক জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির প্রভাব নিয়ে অনুসন্ধানে নামেন হরউইৎজ। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকাণ্ড ও এর সামাজিক প্রভাবের নানা দিক অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে সামনে আসতে থাকে একের পর এক বিতর্কিত তথ্য।
‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’-এর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ফ্রান্সেস হাউগেন। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাইকি ম্যাডিসন। ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথি ও প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের গল্প এগিয়েছে।
ট্রেলারে হরউইৎজকে ফেসবুকের প্রভাব নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করতে দেখা যায়। পাশাপাশি হাউগেনের মাধ্যমে সামনে আসে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ কিছু নথি, যা ফেসবুকের জবাবদিহি ও কার্যক্রম নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। সিনেমায় জাকারবার্গের চরিত্রকেও আগের সিনেমার তুলনায় আরও কঠোর, রুক্ষ ও আক্রমণাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
কেন এত বছর পর সিক্যুয়েল?‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’-এর দীর্ঘ সময় পর কেন সিক্যুয়েল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, সে বিষয়েও কথা বলেছেন অ্যারন সরকিন। তাঁর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এমন একটি গল্প খুঁজছিলেন, যা সিনেমা হিসেবে যথেষ্ট শক্তিশালী।
ব্রেক্সিট, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কিংবা ফেসবুককে ঘিরে নতুন কোনো বিতর্ক সামনে এলেই তাঁকে সেসব নিয়ে সিনেমা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হতো। কিন্তু এসব ঘটনার মধ্যেও দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বড় পর্দার জন্য উপযুক্ত গল্প খুঁজে পাননি।
সরকিনের মতে, একটি বিষয় চিন্তাশীল, প্রাসঙ্গিক কিংবা গুরুত্বপূর্ণ হলেই সেটি সিনেমার জন্য যথেষ্ট নয়। দর্শককে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার মতো শক্তিশালী গল্পও প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত সেই ধরনের গল্প খুঁজে পাওয়ার পরই ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’ নির্মাণে এগিয়ে যান তিনি।
মুক্তি কবে?ফেসবুকের উত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১০ সালের ১ অক্টোবর। প্রায় ১৬ বছর পর সেই গল্পের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে আসছে ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’।
সিনেমাটি আগামী ৯ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স