মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, মাহবুবা হাকিমের বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে কমিশন বিষয়টি দেখবে। অভিযোগ পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।
হলফনামায় যে তথ্যনির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় মাহবুবা হাকিম তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ‘এমএলএম’ ও ‘ব্যারিস্টার এট ল’ উল্লেখ করেছেন। তবে বিভিন্ন প্রকাশিত তথ্য এবং তাঁর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আইন বিষয়ে তাঁর কোনো উচ্চতর ডিগ্রি নেই বলে নিজেই জানিয়েছেন।
মাহবুবা হাকিম বলেন, ‘আমি বুটেক্স থেকে পাস করেছি; বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার। হলফনামার সঙ্গে ওই সনদই জমা দেওয়া আছে। আমি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, আইন বিষয়ে আমার কোনো সনদ নেই।’
ফরম পূরণের দায় দলের ওপরহলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য কীভাবে এসেছে—এ বিষয়ে মাহবুবা হাকিম বলেন, তাঁর মনোনয়নপত্র তোলা, পূরণ ও জমা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি দলীয়ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি শুধু পূরণ করা ফরমে স্বাক্ষর করেছেন।
এর আগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নিজস্ব তথ্যেও মাহবুবা হাকিমের বুটেক্স থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগ পেলে শুনানিমাহবুবা হাকিমের বক্তব্যের বিষয়টি অবহিত করা হলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কেউ অভিযোগ করলে আইন অনুযায়ী বিষয়টি দেখা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন কি না, সেটি যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ পাওয়ার পর কমিশন শুনানি করতে পারে এবং মাহবুবা হাকিমের বক্তব্য জানতে চাইবে। এরপর আইন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইসি কমিশনার আরও বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না—তা যাচাই না করে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদের বক্তব্য; মাহবুবা হাকিমের বক্তব্য; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রকাশিত তথ্য এবং এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক