সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
দুদকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল রোববার দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী সময়ে এম শামসুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে তাঁর নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া যায়।
দুদকের দাবি, বিশ্বস্ত সূত্রে তারা জানতে পেরেছে, এসব ব্যাংক হিসাবের অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের চেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় অনুসন্ধানের স্বার্থে এবং অর্থ স্থানান্তর ঠেকাতে শামসুর রহমান ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।
আদালত দুদকের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক