ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর তেহরানের বাসিন্দা আলিরেজা বাখশি ইরাজ নামের ওই শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ নেতার উদ্দেশে একটি আবেগপূর্ণ চিঠি লেখে।
চিঠিতে আলিরেজা মোজতবা খামেনির দিকনির্দেশনার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে কিছু অর্থও উপহার দেয় সে। ওই অর্থ ইসলামি যোদ্ধাদের সহায়তায় ব্যয় করার অনুরোধ জানায় শিশুটি।
চিঠিতে আলিরেজা লেখে, ‘সত্যি বলতে, আমার চিঠি আপনার কাছে পৌঁছাবে কি না, জানি না। আমার ইচ্ছা, আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারতাম। আপনার দিকনির্দেশনার জন্য আমরা আপনার কাছে অনেক ঋণী।’
চিঠির শেষাংশে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে দেখা করার আশা প্রকাশের পাশাপাশি তাঁকে বিলম্বিত জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানায় শিশুটি।
জবাবে শিশুটিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ সম্বোধন
আলিরেজার চিঠি পাওয়ার পর গত ১১ অক্টোবর তার উদ্দেশে জবাব লেখেন মোজতবা খামেনি। চিঠিতে শিশুটিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ সম্বোধন করে তার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।
জবাবে খামেনি লেখেন, ‘তোমার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই বিনীত সেবকের জন্ম হয়েছে এসফান্দ মাসে (ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের শুরুর সময়)। তোমার উদারতার তুলনায় উপহারটি খুবই সামান্য হলেও তোমাকে পালটা একটি উপহার দিচ্ছি। তোমার পরিবারের সবাইকে আমার সালাম জানাবে।’
চিঠির শেষে আলিরেজার হাতের লেখার প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘তোমার হাতের লেখা খুব সুন্দর।’
সর্বোচ্চ নেতার কাছ থেকে পাওয়া উপহারটি শিশুটির জন্য পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হলেও সেটির ধরন বা বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক