আত্মসচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও আত্মসমালোচনার মানসিকতাকে গুরুত্ব; রান্না জানলে বাড়তি সুবিধা
জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু ভালো মানুষ হওয়াই যথেষ্ট নয়, তাঁর মধ্যে থাকতে হবে আত্মসচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা। এমনটাই মনে করেন দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবী। সম্প্রতি জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র মঞ্চে নিজের পছন্দের জীবনসঙ্গীর গুণাবলি তুলে ধরেছেন তিনি।
দীপাবলি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন আসন্ন সিনেমা ‘রামায়ণ’-এর তিন তারকা রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী ও রবি দুবে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চন সাই পল্লবীর কাছে জানতে চান, জীবনসঙ্গীর মধ্যে কেমন গুণাবলি দেখতে চান তিনি?
জবাবে অভিনেত্রী প্রথমেই বলেন, তাঁর জীবনসঙ্গীকে ভালো মানুষ হতে হবে। তবে এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
সাই পল্লবীর মতে, জীবনসঙ্গী আত্মকেন্দ্রিক হতে পারবেন না। নিজের কাজ, চিন্তাভাবনা ও আচরণ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে নিজের ভুল বুঝতে পারা এবং সেই ভুলের দায় অন্যের ওপর না চাপিয়ে আত্মসমালোচনা করার মানসিকতাও থাকতে হবে।
জীবনসঙ্গীর পছন্দের গুণাবলির কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে মজার ছলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি অনেক বড় তালিকা দিয়ে ফেলছি। কিন্তু মানুষ ভালো হওয়াটা জরুরি। এসবের সঙ্গে রান্না জানলে আরও ভালো।’
অভিনেত্রীর এই বক্তব্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব উঠে এসেছে। তাঁর দৃষ্টিতে, একটি সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে শুধু ভালোবাসা কিংবা ভালো আচরণ যথেষ্ট নয়; নিজের ভুল বুঝতে পারা, তা স্বীকার করা এবং নিজেকে সংশোধনের চেষ্টাও জরুরি।
সঙ্গীর অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, নিজের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করা এবং ভুল হলে ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতাও সম্পর্ককে সুন্দর করে তুলতে পারে।
সাই পল্লবীর মতে, দুজন মানুষ নিজেদের চিন্তাভাবনা ও আচরণ সম্পর্কে সচেতন থাকলে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করলে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুন্দর ও সহজ হয়ে ওঠে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক