শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা উদ্বোধন করা হবে। একই দিন দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরেও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
গণতান্ত্রিক চেতনা তুলে ধরার আহ্বান
কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, অতীতে একটি রাজনৈতিক দল দেশের ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায় অস্বীকার করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষকে ব্যাপক চাপ ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
দলটির নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ সংকট থেকে রক্ষা পায়। পরবর্তী সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চর্চার পরিবেশ তৈরি করেন।
তারা বলেন, যখনই দেশ একনায়কতান্ত্রিক শাসনের মুখোমুখি হয়েছে, তখনই সচেতন জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে। এর উদাহরণ হিসেবে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করেন নেতারা।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতারা বলেন, বাংলাদেশ মাথা নিচু করে চলার দেশ নয়। এ দেশের মানুষের রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রাখতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।
দলটির ঘোষিত সাত দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক