জনগণের অধিকার খর্ব হলে বারবার ফিরে আসবে বিপ্লব: ডা. শফিকুর রহমান

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ দুপুর
  • ৭৮৭৬ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
৭ নভেম্বরের ইতিহাস থেকে রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান | ফ্যাসিবাদকে রাজনৈতিক দলের পরিবর্তে ভাইরাস হিসেবে অভিহিত

জনগণের অধিকার ও প্রত্যাশা নিশ্চিত করা না হলে দেশে বারবার বিপ্লব ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, যারা জনগণের মনের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হবেন, তাদের পরিণতিও ৭ নভেম্বরের মতো হতে পারে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে জাতীয় বিপ্লবী ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম নয়; এটি একটি ভাইরাস। সমাজের সর্বক্ষেত্রে বর্তমানে এই ভাইরাসের লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক নেতাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপলব্ধি করতে হবে এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, এই দিবসের ইতিহাস ও তাৎপর্য শুনতে শুনতেই তাঁর জীবনের ৫৫ বছর কেটে গেছে। কিন্তু এ দিবস থেকে রাজনীতিবিদদের যে শিক্ষা নেওয়ার কথা ছিল, বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, তাঁরা সেই শিক্ষা নিতে পারেননি।

বক্তব্যে স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরও অল্প সময়ের মধ্যে শেখ মুজিব জাতির আস্থা হারিয়ে ফেলেন। সে সময় দেশে সেনাবাহিনী, পুলিশ, গণমাধ্যম ও আনসার বাহিনী থাকা সত্ত্বেও নিজের এবং দলের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের কাছে জবাবদিহির আশঙ্কা থেকে রক্ষীবাহিনী গঠন করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

রক্ষীবাহিনীর ক্ষমতা ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বাহিনীটিকে সেনাবাহিনীর তুলনায় বিশেষ সুবিধা ও ভারী অস্ত্র দেওয়া হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে কাউকে হত্যা কিংবা নারীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলেও জবাবদিহির ব্যবস্থা ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময়ে রক্ষীবাহিনীর হাতে ৩৪ হাজার মানুষ বিনা বিচারে নিহত হন। নিহতদের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি ৭ নভেম্বরের রাজনৈতিক তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণের অধিকার, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad