সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৫নং চান্দাইকোনা ইউনিয়নের চান্দাইকোনা বিশ্বরোডের দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানপাট বসানো এবং করাতকলের কাঠের গুঁড়ি স্তূপ করে রাখার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পরও মেলেনি কোনো সমাধান। আগের মতোই সড়কের পাশে কাঠের গুঁড়ি ও বিভিন্ন মালামাল পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহনের চালকরা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন দোকানপাট বসিয়ে এবং করাতকলের কাঠের গুঁড়ি ও অন্যান্য মালামাল রেখে চলাচলের জায়গা সংকুচিত করে রাখা হয়েছে। এতে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাধারণ পথচারী ও অটোরিকশার যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সড়কের পাশে কাঠের গুঁড়ি স্তূপ করে রাখায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এর আগে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে চান্দাইকোনার স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জবা দই ঘরের মালিক ভোজন ঘোষ মুঠোফোনে বলেন, “আমি কাঠের খড়ি রাখছি। ওখান দিয়ে কেউ যাতায়াত করে না। লোকজনের সমস্যা হলে সরিয়ে ফেলব।”
তবে স্থানীয়দের দাবি, সংবাদ প্রকাশের পরও এখন পর্যন্ত সড়কের পাশ থেকে কাঠের গুঁড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়নি। ফলে আগের মতোই জনসাধারণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির বলেন, “আমি সময় পাইনি। সময় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য সড়কের দুই পাশের জায়গা উন্মুক্ত রাখা জরুরি। কিন্তু সেখানে দোকানপাট বসানো ও কাঠের গুঁড়ি রাখার কারণে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় তাঁরা হতাশ।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করে সড়কের দুই পাশের সরকারি জায়গায় অবৈধ দখল এবং চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী মালামাল অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে কেউ সরকারি জায়গা দখল করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক