সলঙ্গায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ইউপি সদস্য প্রার্থী মানিকের বিরুদ্ধে

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ রাত
  • ১১৪৫৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় দ্বিতীয় স্ত্রী নুরজাহানকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে। রোববার রাত ৯টার দিকে ইউনিয়নের চরিয়া কালীবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উল্লাপাড়া উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের রাহুলিয়া গ্রামের রহিজ উদ্দিন সরকারের মেয়ে নুরজাহানের সঙ্গে মানিক মিয়ার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে বিয়ে করেন মানিক। নুরজাহানের দাবি, বিয়ের সময় তাঁর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। তবে বিয়ের পর থেকে মানিক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং প্রায় দুই মাস খোঁজখবর নেননি।

ভুক্তভোগী নুরজাহান অভিযোগ করেন, সংসার করার আশায় তিনি মানিকের বাড়িতে গেলে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ির ফটকের সামনে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন সলঙ্গা থানায় খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নুরজাহানকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ রোড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠায়।

নুরজাহান বলেন, উল্লাপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসে একটি কাজে গিয়ে মানিকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। নিজেকে বিধবা জানার পর মানিক তাঁকে বিয়ে ও সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন। তাঁকে বিশ্বাস করে নিজের জমানো দুই লাখ টাকা দেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর থেকেই মানিক তাঁকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। তিনি বিয়ে করে সংসার করতে চান এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মানিক মিয়া বলেন, ‘আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম, আবার তালাকও দিয়েছি। এখন আমার এলাকায় এসে বিরক্ত করায় তাকে একটি চড় মেরেছি।’

এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad