১৬ জুনেও বেতনহীন মাদ্রাসা শিক্ষকরা, সংসদে নুরুল আমীনের ক্ষোভ

  • মোঃ আল আমিন হোসেন,বার্তা সম্পাদক
  • আপলোড সময় : ১৬ জুন ২০২৬, ১১:১৭ রাত
  • ১৬৫৭২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

জুন মাসের ১৬ তারিখ পেরিয়ে গেলেও দেশের অধিকাংশ মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনো বেতন-ভাতা পাননি বলে জাতীয় সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মো. নুরুল আমীন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বেতন না পাওয়ায় অনেক শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কেউ কেউ অর্থাভাবে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, এমনকি একজন শিক্ষক তাঁর অসুস্থ মায়ের চিকিৎসাও করাতে পারছেন না। তিনি বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনে সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৯ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (মেমিস) সাপোর্ট (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে ইএফটি কার্যক্রম বাদ যাওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতা তৈরি হয়। সর্বশেষ সংশোধনের পর প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আগে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি মাদ্রাসায় ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হলেও বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে। এ কারণে বেতন প্রদানে বিলম্ব হচ্ছে।

সরকারের আশা, নতুন সংশোধনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা প্রদান শুরু হলে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তির স্থায়ী সমাধান হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad