ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাজিদ ইবনে আল-রেজা বলেছেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনাও হবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং ড্রোন প্রযুক্তি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অলঙ্ঘনীয় সীমারেখা। এগুলো নিয়ে এখন বা ভবিষ্যতে কোনো আপস করা হবে না।’
তিনি আরও জানান, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা আরও উন্নত করার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপকেও প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি ওই সংলাপের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে; এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির প্রয়োজন নেই।
তার ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ, অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান এবং নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।
গারিবাবাদি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ছত্রছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যে কখনোই টেকসই নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে দেশটির এ কঠোর অবস্থান ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনায় তেহরানের অগ্রাধিকারকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
সূত্র: ডন

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক