মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব সফর করছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমন্বয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান—তিনটি দেশই আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ তুরস্ক ও পাকিস্তান উভয় দেশের সঙ্গেই ইরানের সীমান্ত রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা এসব দেশের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রিয়াদে মিশর, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত তথাকথিত ‘আর-৪’ জোটের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতার দায়িত্ব পাকিস্তানের ওপর অর্পণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ‘আর-৪’ভুক্ত চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব বৈঠকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জ্বালানি সম্পদ এবং সৌদি আরবের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার সমন্বয়ের মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রভাবশালী দেশগুলো আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পথে এগোচ্ছে। বিশেষ করে ইরান-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সংঘাত-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের নতুন বাস্তবতায় এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক