শ্বশুরবাড়ির লোকেরা কোন শ্রেণির আত্মীয়, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ বিকাল
  • ৫৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। রক্ত ও বৈবাহিক সূত্রে যাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, তাদের খোঁজখবর নেওয়া, সদাচরণ করা, বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করাকে আত্মীয়তার হক হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের নিন্দা করা হয়েছে। মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখা।

আল্লাহ তাআলা জ্ঞানী মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘আর আল্লাহ যে সম্পর্ক অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যারা তা অটুট রাখে এবং তাদের রবকে ভয় করে, আর মন্দ হিসাবের আশঙ্কা করে।’ (সুরা রা’দ: ২১)

সম্প্রতি এক ভিডিওতে আত্মীয়তার বিভিন্ন শ্রেণি নিয়ে আলোচনা করেছেন ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি বলেন, আত্মীয়দের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

প্রথম শ্রেণির আত্মীয়: এ শ্রেণিতে বাপের দিকের আত্মীয়দের অগ্রাধিকার সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে রয়েছেন বাবা, চাচা, দাদা, ফুফু, ভাই, বোন, সন্তান-সন্ততি এবং মা।

দ্বিতীয় শ্রেণির আত্মীয়: এ শ্রেণিতে রয়েছেন রক্তের সম্পর্কের এমন আত্মীয়, যারা সরাসরি সম্পদের ভাগ পান না। এর মধ্যে মামা, নানা, নানি ও খালা রয়েছেন। মায়ের রক্তের সম্পর্ক থাকার কারণে মায়ের ভাই-বোনের সঙ্গেও রক্তের সম্পর্ক বিদ্যমান।

তৃতীয় শ্রেণির আত্মীয়: শ্বশুরবাড়ির লোকজন বা বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে যাদের সঙ্গে আত্মীয়তার বন্ধন তৈরি হয়, তারা এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত তাদের সঙ্গে সরাসরি রক্তের সম্পর্ক থাকে না।

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই আত্মীয়দের সঙ্গে সদাচরণ, খোঁজখবর নেওয়া এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad