সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, তাঁর বাবা মরহুম ফজলুর রহমান পটল যে পথ ও আদর্শ রেখে গেছেন, সেই পথের পায়ের ছাপ অনুসরণ করেই তিনি এগিয়ে যেতে চান। জীবনের বাকি সময় বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে মানুষের পাশে থাকতে চান তিনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে নাটোরের লালপুরে লালপুর ‘কি সুন্দরী’ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত মরহুম ফজলুর রহমান পটলের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল।
ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, ‘আমার বাবা যে পথ রেখে গেছেন, সেই পথের পায়ের ছাপ ধরে হাঁটতে চাই। আমার জীবনের বাকি সময় তাঁর শেষ কাজগুলো করে যেতে চাই। তিনি জনগণের সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন, দেশের জন্য কাজ করেছেন—আমিও সেই কাজগুলো করে যাওয়ার চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি বাবার অপূর্ণ কাজগুলো আমাকে করে যেতে হবে এবং সেই দায়িত্ব আমার ওপর এসে পড়বে। কিন্তু এখন সেটিই আমার প্রধান দায়িত্ব।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তাঁর বাবার রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবন মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ছিল। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ধারণ করে মানুষের সঙ্গে থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি।
তিনি বলেন, ‘মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাই আমার শক্তি। সেই শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই এবং বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাব।’
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ পাপ্পু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দিক আলী মিষ্টু।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রীর ছোট ছেলে প্রথিক, জামাই সুমন ও বাররুস সানিসহ স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্মরণসভায় বক্তারা মরহুম ফজলুর রহমান পটলের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, ফজলুর রহমান পটল ছিলেন জনবান্ধব ও জনপ্রিয় নেতা। তিনি সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর আদর্শ ও কর্মধারা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক