মঙ্গলবার সকাল থেকে নাওজোড়, ভোগড়া, কোনাবাড়ী, মৌচাক, সফিপুর ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকেরা জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়। তবে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, সকালে শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিতে এসে কয়েকটি এলাকায় মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। বিক্ষোভ ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন এলাকার ২০ থেকে ২৫টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল।
মৌচাকে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা
এর আগে সকাল ৮টার কিছু আগে কালিয়াকৈরের মৌচাক এলাকায় একদল শ্রমিক ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন। পুলিশ জানায়, জেলার অন্য কোথাও বড় ধরনের সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেনি।
নিরাপত্তা জোরদার, বিজিবির ১১ প্লাটুন মোতায়েন
শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকলেও মঙ্গলবার তা বাড়িয়ে ১১ প্লাটুন করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৫ জন করা হয়েছে। তাঁদের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় টহল ও দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে শিল্পাঞ্চল-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, শ্রমিক অসন্তোষের কারণে আগে বন্ধ থাকা কয়েকটি কারখানা মঙ্গলবার আবার খুলেছে। তবে কতটি কারখানা খুলেছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেননি।
তথ্যসূত্র: গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২ পুলিশ, জেলা প্রশাসক কার্যালয় ৩ নভেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক