শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি-নাশকতার অভিযোগে মামলা, আসামি দেড় হাজার

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ বিকাল
  • ৬৭০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে উসকানি ও নাশকতার অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দেড় হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয়জনকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এজাহারে যাঁদের নাম

মামলার এজাহারে আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকার যুবলীগ নেতা আজমত আলী, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল, কার্যকরী সদস্য মজিবর, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি টিপু সুলতান, মোফাজ্জল হোসেন চুন্নু, রাকিব হোসেন, ওয়াসিম, রতন, মো. রাকিব এবং ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ ও সেলিম। এ ছাড়া প্রজন্মলীগের ফতুল্লা থানা শাখার সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত জনিসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।

গ্রেপ্তার ছয়জন রিমান্ডে

সোমবার ও মঙ্গলবারের বিক্ষোভের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন—লামাপাড়া এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে শামীম হাসান (২৮), কোতালেরবাগ বউবাজার এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে মামুন (২৬), ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (৩৮), রামারবাগ এলাকার ইমান তৌফিকের ছেলে ইমান ইমন (২৬), কোতালেরবাগ এলাকার মৃত লিয়াকত হোসেনের ছেলে শাহিন আহম্মেদ এবং কায়েমপুর এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক শামীম জানান, গ্রেপ্তার ছয়জনকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সড়কে নামতে পারেননি শ্রমিকেরা

বুধবার সকাল ৯টা থেকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও কাঠেরপুল এলাকায় পোশাকশ্রমিকেরা আবারও জড়ো হয়ে আন্দোলনের চেষ্টা করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রমিকেরা মূল সড়কে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাধার মুখে তাঁরা সড়ক অবরোধ করতে পারেননি।

পুলিশ জানায়, শিবু মার্কেট ও কাঠেরপুল এলাকায় পাঁচটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বুধবার সকালে এসব কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিতে এলেও পরে সড়কে নেমে অবরোধের চেষ্টা করেন। আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমে তাঁদের বুঝিয়ে কাজে ফেরানোর চেষ্টা করে। তবে শ্রমিকেরা পুলিশের কথা না শোনায় টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ আগে থেকেই কঠোর অবস্থানে ছিল। শ্রমিকেরা যাতে সড়কে নেমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে জন্য তাঁদের কোথাও জড়ো হতে দেওয়া হয়নি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad