এয়ারএশিয়ার প্রযুক্তি ও কম খরচের মডেল নিতে চায় বাংলাদেশ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ রাত
  • ৪৭১৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

এয়ারএশিয়ার প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশে কম খরচে বিমান চলাচল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি বিমানবন্দরের কার্যকারিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিমান চলাচল খাতে ডিজিটালাইজেশন, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নেও এয়ারএশিয়ার সহযোগিতা নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে সম্প্রতি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এয়ারএশিয়া গ্রুপের সদর দপ্তর রেড কিউতে দুই পক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

বৈঠকে এয়ারএশিয়া গ্রুপের সিইও বো লিঙ্গাম বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় এয়ারএশিয়ার ব্যবসা ও পরিচালন মডেল, কার্যক্রমের সেরা পদ্ধতি এবং বিমান চলাচল খাতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বো লিঙ্গাম বলেন, বিমান চলাচলের ভ্যালু চেইনে এয়ারএশিয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিতে তারা আগ্রহী। এ ধরনের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের বাজারের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরে অনুষ্ঠিত নির্বাহী ব্রিফিংয়ে এয়ারএশিয়ার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তাদের কম খরচের এয়ারলাইন (এলসিসি) মডেলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। সেখানে টেকসইভাবে এলসিসি খাতের বিকাশে সহায়ক নীতি ও কার্যকর পরিচালন পরিবেশের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আলোচনায় এয়ারলাইন নেটওয়ার্ক ও উড়োজাহাজ বহর ব্যবস্থাপনা, বিমানবন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধি, দ্রুত উড়োজাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড এবং পরিচালন ব্যয় কমানোর বিভিন্ন কৌশল উঠে আসে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিমান ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী ও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ পরিদর্শন করে। সেখানে গ্রাউন্ড টিম রেডের (জিটিআর) কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ও সেলফ-সার্ভিস যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ, ডিজিটাল ব্যাগেজ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করেন তারা।

বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় এসব প্রযুক্তি যাত্রী প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, উড়োজাহাজের ব্যবহার বাড়ানো এবং সামগ্রিক পরিচালন দক্ষতা উন্নয়নে কীভাবে ভূমিকা রাখছে, তা সরেজমিনে দেখেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad