ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: ড. আযাদ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২১ বিকাল
  • ৬০৯১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য কেবল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা নয়; নাগরিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। একটি ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে তিনি আদল বা ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর সাভারে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা আয়োজিত ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ড আমির/সভাপতি ও সেক্রেটারিদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা জেলা আমির মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. আফজাল হোসাইন।

ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনের সূরা আলে ইমরানের ১৫৯ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আল্লাহর ওপর ভরসা করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হলে দুর্নীতি, ঘুষ, অনিয়ম ও নৈতিক অবক্ষয় ক্রমেই বিস্তার লাভ করে। মদ্যপান, অবৈধ বাণিজ্য এবং ঘুষের বিনিময়ে বিচারিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার মতো কর্মকাণ্ডকে তিনি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ড. আযাদ বলেন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিবর্তন যথেষ্ট নয়; একই সঙ্গে ব্যক্তির চরিত্র ও নৈতিকতার উন্নয়নও অপরিহার্য। সৎ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা সবসময় নেতিবাচক নয়; অনেক সময় তা মানুষের জন্য শিক্ষা ও পরীক্ষার কারণ হয়ে আসে। তাই কোনো প্রতিবন্ধকতা দেখে পিছিয়ে না গিয়ে তা মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মসিউল আলম। দারস পেশ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. মাওলানা আব্দুস সামাদ। সহীহ কুরআন শিক্ষা প্রদান করেন ড. মাওলানা মো. আব্দুল জব্বার ও ঢাকা জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মো. শাহীনুর ইসলাম।

এ সময় জেলা কর্মপরিষদের সদস্যসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad