রাফায়েলের সঙ্গে ভক্সওয়াগনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিরোধিতা জার্মান বামদের

  • প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স
  • আপলোড সময় : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৮ দুপুর
  • ৪৯২২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।
ইসরাইলি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রাফায়েলের সঙ্গে জার্মান গাড়ি নির্মাতা ভক্সওয়াগনের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিরোধিতা করেছে দেশটির বামপন্থি দল দ্য লেফট। দলটির নেতাদের অভিযোগ, ভক্সওয়াগনের ওসনাব্রুক কারখানাকে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা শহরটির দীর্ঘদিনের শান্তির ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভক্সওয়াগনের ওসনাব্রুক কারখানায় রাফায়েলের আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন উপাদান তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আওতায় সামরিক ট্রাক, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযন্ত্র এবং বিদ্যুৎ সরবরাহকারী যন্ত্র তৈরির বিষয়ও রয়েছে।

ওসনাব্রুকের মেয়র পদপ্রার্থী ও লেফট পার্টির নেতা থমাস গ্রস বলেন, তাঁদের দল কারখানাটিতে বেসামরিক মিনিবাস উৎপাদনের প্রস্তাবকে সমর্থন করে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে গণপরিবহনের জন্য এ ধরনের যানবাহনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গ্রস বলেন, জলবায়ু সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিনিয়োগ করা সামরিক ব্যয় বাড়ানোর চেয়ে বেশি জরুরি। তাঁর মতে, ‘শান্তির শহর’ হিসেবে ওসনাব্রুকের যে ঐতিহ্য রয়েছে, তার সঙ্গে সামরিক শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ভক্সওয়াগনের এই পরিকল্পনা নিয়ে জার্মানিতে আগে থেকেই বিতর্ক রয়েছে। চীনা গাড়ি নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা, দুর্বল চাহিদা ও উচ্চ ব্যয়ের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ওসনাব্রুক কারখানায় ২০২৭ সালের পর গাড়ি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারখানাটি বিকল্পভাবে ব্যবহারের সম্ভাবনা হিসেবে প্রতিরক্ষা খাতের অংশীদারত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে।

তবে পরিকল্পনাটি নিয়ে শুধু রাজনৈতিক মহলেই আপত্তি নেই, কোম্পানির অংশীদারদের মধ্যেও এ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এর আগে ভক্সওয়াগনের অন্যতম বড় শেয়ারহোল্ডার কাতারের সার্বভৌম সম্পদ তহবিল সামরিক উৎপাদনসংক্রান্ত প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে।

জার্মান বাম দলের আপত্তির মূল কারণ হলো, গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরাইলি একটি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জার্মান শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সামরিক সহযোগিতা দেশটির পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিকে আরও বিতর্কের মুখে ফেলতে পারে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad